
হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উদ্বোধনী ফ্লাইটে গিয়ে হজযাত্রীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী দেশ ও জাতির জন্য তাদের কাছে দোয়া চান।
শুক্রবার রাতে (১১ টা ৩৫ মিনিটে) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রত্যেকে আল্লাহর মেহমান। আপনাদের যাদের আল্লাহর ঘরে যাওয়ার তৌফিক হয়েছে, তারা যদি হাত তুলে দোয়া করেন, আল্লাহ আপনাদের দোয়া কবুল করবেন।
আল্লাহর মেহমানদেরকে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ তৌফিক দেন, আমাদের সামনে যত সমস্যা-বিপদ আছে, সেগুলো যেন আমরা মোকাবিলা করতে পারি।

দেশের মানুষের জন্য নেয়া উদ্যোগগুলো যেন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি। তিনি আগামী বছর থেকে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি হজের খরচ কমানোর আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকার গঠনের আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই এই হজ ব্যবস্থার বেশিরভাগ কাজগুলো হয়ে গিয়েছিল। তারপরও যতটুকু সম্ভব আমরা চেষ্টা করেছি, অন্তত ১২ হাজার টাকা কমানোর চেষ্টা করেছি। আগামী বছর যাতে আরো খরচ কমাতে পারি, কম খরচে যাতে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারি সেজন্য দোয়া করবেন।
উদ্বোধনী ফ্লাইটটি রাত ১২ টা ২০ মিনিটে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এবছরের প্রথম ফ্লাইটে যাত্রী রয়েছে ৪১৯ জন।
উদ্বোধনী দিনে মোট ১৪ টি ফ্লাইট রয়েছে যার মধ্যে ১২টি জেদ্দা বিমানবন্দরে এবং দুইটি মদিনা বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এই ১৪টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ছয়টি এবং সৌদি আরবের সাউদিয়া ও ফ্লাইনাস চারটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে। প্রথমদিন ৫,৭৫৯ জন হজযাত্রী সৌদিতে যাচ্ছেন।
শেষে হজযাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এসময় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসি, বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার এনডিসিসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী আশকোনার হজক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং হজযাত্রীদের সাথে কথা বলেন।


