
বিএসটিআই -এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফুন্নেসা এবং মাহবুবুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরীর পল্টন এলাকায় দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
আজ (১৮ জুন) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর সহযোগিতায় দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালেঃ
১. ‘আর এস ইলেকট্রনিক্স’, ৭৫/৭৫, জাতীয় স্টেডিয়াম মার্কেট, ঢাকা-কে বিএসটিআই-এর অনুমোদনবিহীন এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিক্রির অপরাধে ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অনুমোদনহীন একটি এসি জব্দ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বিএসটিআই-এর কোনো বৈধ মানসনদ (সিএম লাইসেন্স) ছাড়াই বাজারে এসি বিক্রি করে আসছিল।
ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে মানসম্মত ইলেকট্রনিক্স পণ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বিএসটিআই আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে এ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা উক্ত এসিটি জব্দ করা হয়।
২. ‘নোভেনা হোম অ্যাপ্লায়েন্স’, বায়তুল মোকাররম শাখা (বর্ধিত অংশ), ৫৪ নং নিউ সুপার মার্কেট, ঢাকা-কে বিএসটিআই-এর অনুমোদনবিহীন ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার, ইলেকট্রিক আয়রন, কুকার ও ফ্যান বিক্রির অপরাধে ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা জরিমানা করা হয়।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অনুমোদনহীন ১টি ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার ও ১টি ইলেকট্রিক আয়রন জব্দ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বিএসটিআই-এর কোনো বৈধ সিএম লাইসেন্স/ছাড়পত্র ছাড়াই বাজারে ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার, ইলেকট্রিক আয়রন, কুকার ও ফ্যান বিক্রি করে আসছিল। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে মানসম্মত ইলেকট্রনিক্স পণ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বিএসটিআই আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে এ অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা উক্ত ১টি ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার ও ১টি ইলেকট্রিক আয়রন জব্দ করা হয়।
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করে এমন যেকোনো অবৈধ ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে বিএসটিআই-এর কঠোর নজরদারি ও অভিযান দেশব্যাপী নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
ভোক্তা সাধারণকে যেকোনো ইলেকট্রনিক্স বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়ের পূর্বে বিএসটিআই-এর অনুমোদিত ‘স্ট্যান্ডার্ড মার্ক’ দেখে নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
উক্ত মোবাইল কোর্টে সহকারী পরিচালক (সিএম) মাজহারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন এবং প্রসিকিউটর হিসেবে ফিল্ড অফিসার (সিএম) জনাব ফারদিন ইসলাম এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) আব্দুল কাদের দায়িত্ব পালন করেন।
জনস্বার্থে এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।


