
ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল নরওয়ে। বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট থেকে ব্রাজিলকে বিদায় করে জানায় ইউরোপের নরওয়ে।
ম্যাচের শুরুতেই নরওয়ের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। অন্যদিকে ১৫ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হয় ব্রাজিল। ব্রুনো গিমারাইসের স্পটকিক দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক অরিয়ান নিল্যান্ড। সেই মুহূর্তটিই পরে ম্যাচের বড় মোড় হয়ে দাঁড়ায়।
৭৫ মিনিটে হালান্ডের তৈরি করা সুযোগ থেকে গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যায় তারা। এরপর ৭৯ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের ভাসিয়ে দেওয়া দারুণ ক্রসে বক্সের ভেতর উঁচুতে লাফিয়ে শক্তিশালী হেডে আলিসনকে পরাস্ত করেন হালান্ড। পুরো ম্যাচে খুব বেশি বল না পেলেও এক সুযোগেই নিজের জাত চিনিয়ে দেন নরওয়ের এই গোলমেশিন।
৮৩ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের কর্নার থেকেও কোনো লাভ হয়নি। ৮৬ মিনিটে ভাগ্য প্রায় ব্রাজিলের পক্ষে যেতে বসেছিল।
৮৯ মিনিটে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণে আবারও সুযোগ পান হালান্ড। এবারও কোনো ভুল করেননি তিনি। নিজের দ্বিতীয় গোল করে নরওয়েকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এবং কার্যত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেন।
১০০তম মিনিটে গোল করেন নেইমার। ধীরগতির রানআপ নিয়ে নরওয়ের গোলরক্ষক অরিয়ান নিল্যান্ডকে পরাস্ত করেন তিনি। যদিও পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্কেরও জন্ম হয়।
নেইমারের গোলে ব্যবধান ২-১ হলেও শেষ মুহূর্তে আর সমতায় ফিরতে পারেনি ব্রাজিল। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ২-১ গোলের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যায় নরওয়ে। অন্যদিকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে বিদায় নিতে হয় শেষ ষোলোর বাধাতেই।
এই জোড়া গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে হালান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় সাতে। ফলে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার শীর্ষেও উঠে যান।


