
শুরু টা ছিল লিয়োনেল মেসিকে ছাড়াই। তাঁর অনুপস্থিতিতে জর্ডনের বিরুদ্ধে মাঠ কাঁপিয়ে খেলছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু ৬০ মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজকে তুলে নিয়ে লিওনেল মেসিকে মাঠে নামালেন আর্জেন্টিনা কোচ।
বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করলেন মেসি। বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসাবে গড়লেন কীর্তি। ২০২৬ বিশ্বকাপে এটি মেসির ষষ্ঠ গোল।
১৯ মিনিটে প্রথম গোল আর্জেন্টিনার। বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। তা থেকে গোল করেন সেলসো। জর্ডানের গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলাইলা প্রথমে দুই পা এগিয়ে কিছুটা বাঁদিকে সরে যান।
তিনি প্রথমে যেখানে ছিলেন, সেখানেই থাকলে সম্ভবত বাঁচিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু সরে যাওয়ায় তাঁর আর কিছু করার ছিল না। ৩১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় গোল করেন মার্তিনেজ়।
মার্তিনেজ়ের শট বারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে হেড করতে যান সেনসি। বাঁচিয়ে দেন জর্ডনের গোলরক্ষক। কিন্তু হেড করার সময় জর্ডনের এক ফুটবলারের পা সেনসির মাথায় লাগে। ২ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধের আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের মধ্যে কিছুটা হলেও গা ছাড়া ভাব দেখা যায়। সুযোগ কাজে লাগায় জর্ডনও। ৪৯ মিনিটে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পান আল তামারি। তবে ৫৫ মিনিটে ব্যবধান কমায় এশিয়ার দেশটি।
৬০ মিনিটে নামিয়ে দেন মেসিকে। তুলে নেন লাউতারো মার্তিনেজ়কে। মাঠে নামান অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এবং থিয়াগো আলমাডাকেও।
আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেন। আর্জেন্টিনা ঝাঁজ বাড়াতেই জর্ডন আবার ফাউল করতে শুরু করে। ৬৪ মিনিটে বক্সের বাইরে আবার ফাউল করে তারা। ফ্রিকিক মারতে আসেন মেসি। তাঁর শট বেশ খানিকটা উপর দিয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে।
৮০ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে মেসিকে ফাউল করে জর্ডন। এ বারও নিজেই ফ্রিকিক নিতে যান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। আর ভুল করেননি। জর্ডনের গোলরক্ষককে নড়তে না দিয়ে তাঁর ডান দিক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন।


