এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী

0
0
এসএসসি
এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী।

একই সঙ্গে ফেল থেকে পাস করেছে ৪ হাজার ৫৮৫ জন। খাতায় নম্বর পরিবর্তন হয়েছে ৫৬ হাজার ২৫৯ জনের। আর জিপিএ বা গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের। লাইভইভেন্ট

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টার পর থেকে ওয়েবসাইটে তথ্য দিয়ে ফল সংগ্রহ করতে পারছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষার্থীকে তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে নতুন করে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় শীর্ষে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এ শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে ৯০৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড। ময়মনসিংহে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭৭ জন। তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা দিনাজপুরে ২৭৫ জন নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে।

কুমিল্লা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০৭ জন, যশোরে ১৮২ জন, সিলেটে ১২১ জন, বরিশালে ১১২ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, রাজশাহীতে ৭৭ জন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৩ জন। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাসের সংখ্যা ৪৬ জন। History

কোন বোর্ডে কতজন ফেল থেকে পাস

প্রকাশিত ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফেল থেকে পাস করেছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে মোট ১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে।

ফেল থেকে পাসের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে দিনাজপুর বোর্ড। এ শিক্ষা বোর্ডে ৮৬৭ শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা যশোর বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৩৮০ জন।

সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ৩৩৭ জন, রাজশাহী বোর্ডে ১১১ জন, কুমিল্লায় ৩৩৬ জন, চট্টগ্রামে ১৯০ জন, বরিশালে ৭৯ জন, সিলেটে ১৮৬ জন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছে ২৫৫ জন। আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাসের সংখ্যা ৬৬৪ জন।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, ৪ লাখ ২ হাজার ৫২ জন শিক্ষার্থী ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৮টি খাতা চ্যালেঞ্জ বা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের তথ্যমতে, প্রথমত- স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফল দেখা যাবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ফল দেখতে পারবে।

দ্বিতীয়ত- সব শিক্ষা বোর্ডের ফল একটি ওয়েবসাইট থেকে দেখা যাবে। সেটি হলো- rescrutiny.eduboardresults.gov.bd। এ ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সব বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ফল সংগ্রহ করতে পারবে।

তৃতীয়ত- পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন করা শিক্ষার্থীদের নিবন্ধিত মোবাইল ফোন নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। তাতে তার ফলাফল বোর্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.