
‘রিফাইন্ড’ হোক বা অন্য কোনো নতুন আওয়ামী লীগ, তৃণমূল আওয়ামী লীগ — যাই বলি না কেন, কোনো নামেই মানে আওয়ামী লীগ নামে সে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান এক সাংবাদিকের জবাবে বলেন, সফট বা হার্ড আওয়ামী লীগ না। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে বিএনপিও তো নেই, আছে কি? স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কি বিএনপি আছে? জামায়াত, এনসিপি আছে? নেই। একসময় ছিল, মানে যে আইনটা মাঝখানে পরিবর্তিত হয়েছিল আওয়ামী লীগের সময়, সেখানে একটা নির্বাচনে দল ছিল, সেটা হচ্ছে চেয়ারম্যান বা মেয়র। তখনও কিন্তু মেম্বার এবং কমিশনার নির্বাচনে কোনো দল পার্টিসিপেট করতো না। খন এটা তুলে দেওয়া হয়েছে, মানে আমরা আগের জায়গায় চলে গেছি।
তিনি বলেন, এখানে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত কেউই পার্টিসিপেট করছে না। এটা হলো একদম নিশ্চিত কথা। আর দ্বিতীয় কথাটি হচ্ছে, রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের একটা আলাপ মাঝে মাঝে কোথাও কোথাও দেখা যায়, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও দেখা যায়।
‘আওয়ামী লীগের কর্মসূচি যতদিন নিষিদ্ধ আছে, ততদিন সে যে নামেই হোক না কেন, রিফাইন্ড হোক বা অন্য কোনো নতুন আওয়ামী লীগ, তৃণমূল আওয়ামী লীগ— যাই বলি না কেন, কোনো নামেই মানে আওয়ামী লীগ নামে সে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারবে না। এই জিনিসটা আমাদের বুঝতে পারতে হবে।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশকে বর্তমান সরকার আইনে পরিণত করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, তার মানে সরকারের অবস্থান হচ্ছে, সরকার মনে করে যতদিন পর্যন্ত আদালতে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি হবে না— আমি আগের দিনই বলেছিলাম, এটা আসলে আদালতের এখতিয়ার এবং সিদ্ধান্ত হবে, তার আগ পর্যন্ত সরকার মনে করে এই কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকা উচিত।


