শবে বরাত মানেই পুরান ঢাকার বাহারি ফেন্সি রুটি

0
51
শবে বরাত
শবে বরাত মানেই পুরান ঢাকার বাহারি ফেন্সি রুটি

শবে বরাত মানেই পুরান ঢাকার বাহারি ফেন্সি রুটি। পুরান ঢাকার অলিগলিতে দোকানিরা বিভিন্ন ধরনের ফেন্সি রুটির পসরা সাজিয়ে বসেন এই দিনে। শবে বরাত এর বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঢাকার মানুষের কাছে ফেন্সি রুটি কিংবা নকশা রুটি অন্যতম।

শবে বরাত উপলক্ষে বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয় এই রুটি ও হালুয়া।

পুরান ঢাকার ইতিহাসে এই দিনে নানারকম বাহারি সব খাবারের মধ্যে ফেন্সি রুটি কিংবা নকশা রুটি অন্যতম। শবে বরাতের উপলক্ষেই প্রস্তুত করা হয় এই রুটি।নরমাল ও স্পেশাল দুই রকমের রুটি পাওয়া যায়।স্পেশাল রুটি গুলো আবার বড় সুন্দর বক্সে ভরে বিক্রি করা হয়।

পুরান ঢাকার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে জানা যায়, কেজিপ্রতি ২৫০-১০০০ টাকায় বিক্রি হয়,এই ফেন্সি প্ রুটি। ফুল ও মাছ আকৃতির বিভিন্ন নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয় এ রুটি। শবে বরাতের দিনের,পুরান ঢাকার বিশেষ আর্কষণ এই ফেন্সি রুটি।

শবে বরাতের দিনে পুরান ঢাকার প্রায় প্রতি গলিতেই বিভিন্ন বেকারি অথবা কনফেকশনারির সামনে ফেন্সি রুটির পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। এছাড়া এই ফেন্সি রুটি পুরান ঢাকার মানুষের কাছে নকশা রুটি নামেও পরিচিত।এ রুটি মিষ্টি জাতীয় হয়ে থাকে। তাছাড়া ফেন্সি রুটি দিয়ে খাওয়ার জন্য পাশাপাশি বিক্রি করা হয় বুট,গাজর,ও সুজির হালুয়া, । হালুয়া কেজি প্রতি ৩০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ক্রেতারা জানান, শবে বরাত উপলক্ষে এ রুটি কেনার চল রয়েছে তাদের মধ্যে। পরিবার নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী, আত্মীয়দের বাসায়ও পাঠানো হয় ঐতিহ্যবাহী এই ফেন্সি রুটি। পুরাতন ঢাকার আনন্দ বেকারি,বোম্বে বেকারি,ডিসেন্ট বেকারি,আমানিয়া বেকারি,বনফুল বেকারি,আলাউদ্দিন সুইটমিট সহ, নদীর ওপাড়ে কেরানীগঞ্জ এর জিনজিরা তে ও প্রসিদ্ধ এ রুটি পাওয়া যায়, জিনজিরার মাসুম বেকারী, কুসুম বেকারি, শান্তা বেকারি,ডরিন বেকারি,শাহজাহান বেকারী,আমানত বেকারী, ও শৈলি বেকারি তে এই রুটি বিক্রিতে প্রসিদ্ধ।

ঢাকা ও এর আসে পাসে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই রুটি নিতে লোকজন আসেন পুরান ঢাকার এই সব  দোকানে।

মো:রাজিব হোসেন বাপ্পী
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.