
শবে বরাত মানেই পুরান ঢাকার বাহারি হালুয়া ও ফেন্সি রুটির আয়োজন। পুরান ঢাকার বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঢাকার মানুষের কাছে ফেন্সি রুটি কিংবা নকশা রুটি ও হালুয়া অন্যতম।
পুরান ঢাকার ইতিহাসে এই দিনে নানারকম বাহারি সব খাবারের মধ্যে বিশাল এক জায়গা দখল করে নিয়েছে ফেন্সি রুটি কিংবা নকশা রুটি। শুধু মাএ শবে বরাত উপলক্ষেই প্রস্তুত করা হয় এই রুটি।
পুরান ঢাকার বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা গেছে , কেজিপ্রতি ৩০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হয় প্রতি কেজি রুটি। ফুল ও মাছ আকৃতির বিভিন্ন নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয় এ রুটি। শবে বরাতের দিনে বিশেষ চাহিদা থাকে এই ফেন্সি রুটির।
শবে বরাতের দিনে পুরান ঢাকার প্রায় প্রতি গলিতেই বিভিন্ন বেকারি কিংবা কনফেকশনারির সামনে ফেন্সি রুটি সাজিয়ে বসেন দোকানিরা। ফেন্সি রুটি পুরান ঢাকার মানুষের কাছে নকশা রুটি নামেও পরিচিত। এ রুটি মিষ্টি জাতীয় হয়ে থাকে।
তাছাড়া এই রুটি দিয়ে খাওয়ার জন্য বিক্রি করা হয় বুটের হালুয়া, গাজরের হালুয়া,সুজির হালুয়া। হালুয়া বাটিপ্রতি ৩০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ১০০০ টাকা পর্যন্ত।
ক্রেতারা জানান, শবে বরাত উপলক্ষে এ রুটি কেনার প্রচলন রয়েছে তাদের মধ্যে। পরিবার পরিজন নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী, আত্মীয়দের বাসায়ও পাঠানো হয় ঐতিহ্যবাহী ফেন্সি রুটি।
পুরান ঢাকার প্রিন্স ওয়েলস বেকারি, আনন্দ বেকারি,বোম্বে বেকারি,শাহজাহান বেকারি, আমানিয়া বেকারি,ডিসেন্ট বেকারি, আলাউদ্দিন সুইটমিট সহ, নদীর ওপাড়ে কেরানীগঞ্জ এর জিনজিরা তে ও প্রসিদ্ধ এ রুটি পাওয়া যায়, জিনজিরার জামাল বেকারি, শান্তা বেকারি,ডরিন বেকারি ও শৈলি বেকারি সহ প্রায় সব ছোট বড় বেকারি দোকানে এই রুটি পাওয়া যায় ।
ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই ও হালুয়া রুটি নিতে লোকজন আসেন পুরান ঢাকার এই প্রসিদ্ধ বেকারি গুলোতে।
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি
রাজিব হোসেন বাপ্পী


