আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৭-৮ কোটি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0
32
চলতি বছর ডেঙ্গুতে ৬৭ জনের মৃত্যুঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী
চলতি বছর ডেঙ্গুতে ৬৭ জনের মৃত্যুঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের আরও ৭-৮ কোটি লোককে সরকার ভ্যাকসিন দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

আজ সোমবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সংক্রমণ কমে গেছে। গতকালও দেখলাম ১৫ শতাংশের নিচে নেমেছে, যেটা ৩২-এ উঠেছিল। পাশাপাশি মৃত্যুর হারও কমেছে, যেটা আগে প্রায় ৩০০ হয়েছিল। এখন ১২০-এ নেমেছে পরশু। রোববার ২২ আগস্ট আবার একটু বেড়েছে। 

তিনি বলেন, আমাদের ভ্যাকসিনেশন বজায় আছে। ভ্যাকসিনেশন এখন শহরে বেশি। কারণ মর্ডানা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ আমাদের হাতে আছে। সিনোভ্যাকেরও দ্বিতীয় ডোজ আমাদের হাতে আছে। ২১ আগস্ট অ্যাস্ট্রেজেনিকা পেয়েছি। আমরা আশা করি এ মাসের শেষে ফাইজারের ভ্যাকসিন পাবো। যেটা আমাদের ৬০ লাখ দেওয়ার কথা। আর সেপ্টেম্বরে পুরোটা পেয়ে যাবো। চীনের সিনোফার্মা এ মাসের শেষে ১০ লাখ পাবো।

ভ্যাকসিন আপডেট তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ১০-১৫ দিনে ভ্যাকসিনের বিষয়ে আমাদের কাজ হয়েছে এবং অনেক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। চীনে নতুন করে ছয় কোটি ডোজের জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছে। তার আগে দেড় কোটির আর্ডার ছিল, মোট সাড়ে সাত কোটি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি ১৬ কোটি করোনার টিকা পেয়ে যাই, তা হলে ৮ কোটি লোককে দিতে পারব। এই টিকাগুলো ডিসেম্বরের মধ্যেই আসার কথা। বিনামূল্যে কোভ্যাক্সের কিছু টিকাও আসবে। ১৬ কোটির থেকেও বেশি হবে টিকা। আমরা মনে করি, আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের ৭-৮ কোটি লোককে টিকা দিতে পারব।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের টিকা দেয়ার দাবি ছিল। আমরা ফ্রন্টলাইনারদের দিচ্ছি, তাদের পরিবারের সদস্যদের দিচ্ছি। শিক্ষার্থীদের, বিদেশে চাকরি নিয়ে যারা যাচ্ছেন তাদের দেয়া হচ্ছে। সব কারখানার শ্রমিকদের টিকা দেওয়ার দাবি উঠেছে। টিকা পেলে আমরা সব শ্রমিকদের দিয়ে দেব। আমরা চাই সব মানুষ টিকা পাক, সুরক্ষিত থাকুক।

গণটিকা কবে শুরু হবে- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে গণটিকার কার্যক্রম আমরা করছি না। কারণ সেই পরিমাণ টিকা আমাদের হাতে নেই। আর আমরা গণ কথাটা হয়ত আগামীতে আর ব্যবহার করব না। অধিদপ্তর থেকে করেছে। আমরা সেই নামটি আর ব্যবহার করব না। আমাদের হাতে যখন যতটুকু টিকা আসবে, সেই টিকা যত মানুষকে দিতে পারব, তত মানুষের কাছে বার্তা যাবে, তারাই আসবে। লম্বা লাইন আর করতে দেব না।

জাহিদ মালেক আরও বলেন, ‘আগে নিবন্ধন করেও অনেকে এখনও এসএমএস পায়নি, নিবন্ধিত সাড়ে ৩ কোটির মধ্যে ২ কোটির বেশি টিকা পেয়েছে। আমাদের কাছে যতটুকু টিকা আছে সেই টিকা দিতে পারব। টিকা কতটুকু হাতে আছে সেই অনুযায়ী নিবন্ধন দেব। সব কাজই সিস্টেমে আসতে একটু সময় লাগে। গ্রামে বেশি আক্রান্ত হচ্ছিল বলে টিকা গ্রামে নিয়ে যাই। ব্যাপক সাড়াও পেয়েছি। হাতে টিকা বেশি পরিমাণে এলে আমরা গ্রামে দেব। বেভিরভাগ মানুষ গ্রামে থাকেন। বয়স্করা বেশি গ্রামে থাকেন। তাদের সুরক্ষিত করতে হবে।’