বিভিন্ন উৎস থেকে ২১ কোটি ৪ লাখ ডোজের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে

0
38
বিভিন্ন উৎস থেকে ২১ কোটি ৪ লাখ ডোজের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে
বিভিন্ন উৎস থেকে ২১ কোটি ৪ লাখ ডোজের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, কোভ্যাক্সসহ বিভিন্ন উৎস থেকে ২১ কোটি ৪ লাখ ডোজের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।সচিব সভা শেষে বুধবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিংকালে এ কথা জানান।  

সচিব বলেন, আজ সচিব সভায় টিকার বিষয়টা ভালোভাবে আশ্বস্ত করা হয়েছে। সর্বশেষ পারচেজ কমিটিতে ৬ কোটি ডোজ টিকা কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।  বিভিন্ন উৎস থেকে ২১ কোটি ৪ লাখ ডোজের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে বলে সভায় জানানো হয়েছে।  

এর মধ্যে তিন কোটি ১০ লাখ কিনেছি। এটা নিয়ে আর অসুবিধা হবে না। দেশের মানুষকে দুই কোটি পাঁচ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। এখন এক কোটি চার লাখ হাতে আছে। ধাপে ধাপে সেগুলো দেওয়া হচ্ছে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সভায় খাদ্য সচিব প্রথমে খাদ্যের অবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। খাদ্য এবং কৃষির সমন্বয় প্রয়োজন। যাতে কোনোভাবেই দেশে খাদ্য ঘাটতি না হয়। সেটি কৃষি বিভাগ যাতে স্পষ্ট করে, চাহিদা অনুযায়ী আমাদের উৎপাদন কতটুকু। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়লে আমদানি করবে, আর উদ্বৃত্ত থাকলে তো তা প্রয়োজন নেই।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সভায় খাদ্য সচিব প্রথমে খাদ্যের অবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। খাদ্য এবং কৃষির সমন্বয় প্রয়োজন। যাতে কোনোভাবেই দেশে খাদ্য ঘাটতি না হয়। সেটি কৃষি বিভাগ যাতে স্পষ্ট করে, চাহিদা অনুযায়ী আমাদের উৎপাদন কতটুকু। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়লে আমদানি করবে, আর উদ্বৃত্ত থাকলে তো তা প্রয়োজন নেই।’

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন জানিয়ে সচিব বলেন, এখন থেকে বসে সেটি ঠিক করে ফেলতে হবে। যেহেতু অলরেডি বোরো ধান উঠে গেছে, গত বছর তিনবার বন্যা হয়েছে। যে কারণে গতবার আমন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার এখনো তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এখনো পানির স্তর গতবারের চেয়ে অনেক নিচে।  সে কারণে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, খাদ্য এবং কৃষি দুজনে বসে একসঙ্গে কাজ করবে।  ইরি থেকে দুই থেকে তিনটি ভ্যারাইটি আসছে, সেগুলো প্রোডাকটিভিটি হাইব্রিডের কাছাকাছি।

এর আগে সকালে রাজধানীর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-এনইসির সম্মেলন কক্ষে সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধানের উপস্থিতিতে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে সর্বশেষ সচিব সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত ৪ জুলাই চার বছর পর সচিব সভা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ওই সভা স্থগিত করা হয়।