‘দ্য অলিম্পিক লরেল’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

0
55
‘দ্য অলিম্পিক লরেল’ অ্যাওয়ার্ড নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
‘দ্য অলিম্পিক লরেল’ অ্যাওয়ার্ড নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

জাপানের টোকিওতে আজ শুক্রবার অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির পক্ষ থেকে ‘অলিম্পিক লরেল’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয় বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে। বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এই অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিনি।

আজ বিকেল ৫টায় জাপানের টোকিওতে পর্দা উঠেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ; ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’ খ্যাত অলিম্পিকের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সেখানেই নাম ঘোষণা করা হয় বাংলাদেশি এই প্রফেসরের। তবে অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না প্রফেসর ইউনূস।

অ্যাথলেটদের প্যারেড শুরুর পূর্বে ভার্চুয়ালি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। এরপরই ইউনূস সেন্টারের ফেসবুক পেজ থেকে তাঁর বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। যেখানে প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘অলিম্পিক লরেল জিতে আমি অভিভূত এবং সম্মানিত বোধ করছি। একই সঙ্গে আমি দুঃখিত যে আমি সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারিনি।’

এরপর তিনি বিশ্বের অ্যাথলেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারাই পরিবর্তনশীল বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে পারেন। একই সঙ্গে সৃষ্টি করতে পারেন তিনটি জিরো বা শূন্যের। এগুলো হচ্ছে, শূন্য কার্বন নির্গমন, শূন্য দারিদ্র এবং শূন্য বেকারত্ব। প্রত্যেকের মধ্যে উদ্যোক্তা হওয়ার শক্তি সৃষ্টি করার মাধ্যমেই এগুলো করা সম্ভব।’

ড. ইউনূস তার বার্তায় খেলাধুলার মাধ্যমে বিশ্বে শান্তিপ্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সফলতা কামনা করেন। সবশেষ এই প্রতিযোগিতার জন্য শুভকামনা এবং অলিম্পিক লরেল সম্মাননা দেয়ায় সবাইকে ফের ধন্যবাদ জানান এ অর্থনীতিবিদ।

‘অলিম্পিক লরেল’ পদক মূলত তাদেরকেই প্রদান করা হয় যারা শিক্ষা, সংস্কৃতি, উন্নয়ন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখেন। সেই লক্ষ্যে ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো ‘অলিম্পিক লরেল’ পদক দেওয়ার প্রচলন শুরু হয়। সেবার রিও অলিম্পিকে এই সম্মানজনক পদক দেওয়া হয় কেনিয়ার সাবেক অলিম্পিয়ান কিপ কেইনোকে।