ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট বাতিল হচ্ছে না

0
70
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট বাতিল হচ্ছে না
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট বাতিল হচ্ছে না

শেষমেশ নানা আলোচনা-সমালোচনার পর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। চলতি ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিনস কমিটি। পরের শিক্ষাবর্ষ থেকে তিন ইউনিট মিলে একটি ইউনিট করে পরীক্ষা নেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আজ ঢাবির ডিনস কমিটির এক বিশেষ এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে এগুলো চূড়ান্ত করা হবে। ঢাবির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ডিনস কমিটির সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক মাকসুদ কামাল প্রো ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ ও বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, নীতিমালা তৈরি করতে না পারায় এবছর ঘ ইউনিট বাতিল হচ্ছে না। আগামী বছর থেকে তিন অনুষদ (কলা, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন) মিলে একটি ইউনিট করার চিন্তা করছে প্রশাসন।

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিট বাতিল হচ্ছে না

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল বাছির বলেন, ডিনস কমিটির বৈঠক থেকে তিনটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিকেলে বৈঠক ভর্তি কমিটির বৈঠক রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

এ বছর ঘ ইউনিট বাতিল না হওয়া প্রসঙ্গে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, গত ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি ডিনস সাব-কমিটিতে শিক্ষার্থীদের বিভাগ পরিবর্তনের সুবিধার্থে ‘ঘ’ ইউনিট রাখার পক্ষে মত দেওয়া হয়। বুধবার ডিনস কমিটির সভায় এ বছরের ভর্তি পরীক্ষায় বিভাগ পরিবর্তনের আলাদা কোনো রূপরেখা না থাকার কারণে এ বছর ‘ঘ’ ইউনিট বহাল রাখার জন্য মত দিয়েছেন ভিসি।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় জানানো হয় শিক্ষাবর্ষ থেকে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিট হিসাবে পরিচিত ঘ ইউনিট থাকছেনা। কলা অনুষদভুক্ত খ ইউনিটের সাথে সমন্বয় করে বিভাগ পরিবর্তন ইউনিটের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। খোদ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষকরাই এর বিরোধিতা করেন। বাতিল না করতে আন্দোলন ও আলোচনার জন্য দুটি কমিটিও গঠন করা হয়। এর বাইরেও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।