টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল বাড়ানোর চিন্তা আইসিসির

0
44
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে

করোনাভাইরাসের কারণে অস্ট্রেলিয়ায় ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। সেটা সরিয়ে আনা হয়েছে চলতি বছর ভারতে। কিন্তু আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে ব্যাপক সংশয় রয়েছে। কারণ, সেই করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা।

তবে এমন পরিস্থিতির মধ্যেও ভবিষ্যতে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণের টুর্নামেন্টটি আয়োজন নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা শুরু করেছে আইসিসি। জানা গেছে, ২০২৮ অলিম্পিকে ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তি এবং বিশ্বের অন্য দেশগুলিতে ক্রিকেটের প্রসারের জন্য আগামী দিনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়ানো হবে। ২০২৪ থেকেই ২০টি দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করার চিন্তা করছে আইসিসি।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুরো বিশ্বে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়াতে একাধিক পরিকল্পনা করেছে আইসিসি। তার মধ্যে অন্যতম হলো, আরও বেশি দেশে ক্রিকেটের প্রসার ঘটানো।

এ কারণেই ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই বাড়তে পারে দলের সংখ্যা। সবমিলিয়ে মোট ২০টি দেশকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। আসলে টেস্ট বা ওয়ানডের তুলনায় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষ হতে সময় কম লাগে। পাশাপাশি অন্যসব ফরম্যাটের তুলনায় এর জনপ্রিয়তাও বেশি।

তাই এর সাহায্যেই বিশ্বের অন্য দেশগুলোতে ক্রিকেটের প্রসার ঘটাতে চায় আইসিসি। এ প্রসঙ্গে সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বে ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করে তুলতে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটই উপযুক্ত। এর আগেও বিশ্বকাপে দলসংখ্যা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতোমধ্যে নারীদের টুর্নামেন্টে দলসংখ্যা বাড়ানোর ব্যাপারে সবুজ সংকেতও দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা।’

এদিকে, ২০২৮ সালে অলিম্পিকে ক্রিকেটের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে এরই মধ্যে প্রচেষ্টা শুরু করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। পাশাপাশি ছাড়পত্র পেলে ভারতের পুরুষ এবং নারী ক্রিকেট দল যে তাতে অংশ নেবে, সেকথাও আগেই জানিয়ে দিয়েছে বোর্ড।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিসিসিআইয়ের প্রধান চিন্তা সুষ্ঠুভাবে চলতি বছরের শেষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করা। যদিও এরইমধ্যে বিকল্প ভেন্যুও ভেবে রেখেছে আইসিসি। ভারত একান্তই আয়োজন না করতে পারলে দুবাইয়ে হতে পারে বিশ্বকাপ।