ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

0
67
ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী
ক্ষমা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে রাজনৈতিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শিক্ষাকার্যক্রমের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে এ ধরনের অনুষ্ঠান না করারও আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু অলিম্পিয়াড ও শিক্ষাঙ্গন ডটকমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সোমবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর দক্ষিণখানের চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় এস এম মোজাম্মেল হক শিক্ষা কমপ্লেক্সের মাঠে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

যদিও শিক্ষামন্ত্রী সন্ধ্যায় ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। কিন্তু অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল সাজানো এবং ব্যানার পোস্টার টানানোর কারণে ওই দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে গণমাধ্যমের খবরে এসেছে।

দীপু মনি বলেন, ‘সারা দেশে আমাদের খেলার মাঠের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এখন খেলার মাঠ বলতে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ রয়েছে। আমরা সামাজিক, রাজনৈতিক, সংস্কৃতিক, ধর্মীয় যেকোনো অনুষ্ঠান করি না কেন সেগুলোতে দেখা যায় বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। এ জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ব্যবহার করি। ’

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের একটা নির্দেশনা আছে যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত অনুষ্ঠান তাদের মাঠে করা হবে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যাবসায়িক হোক বা অনেক সময় হাট-বাজার বসানো হয়, আবার মেলা বসানো হয়। সেগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে করতে আমরা নিরুৎসাহিত করি। অনেক স্থানে বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে এসব অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকলেও পাঠদান ব্যাহত করে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না। তবে স্কুল-কলেজ বন্ধের দিন এসব অনুষ্ঠান করা যাবে। ’

দীপু মনি বলেন, দীপু মনি বলেন, ‘আমি ভীষণভাবে লজ্জিত ও দুঃখিত। আমি নিজে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি। বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে এ ধরনের অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করেছি। আমি জানি না সেখানে বিকল্প জায়গা ছিল কি না। এ ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যাবসায়িক অনুষ্ঠান বিকল্প স্থানে করা হয়ে থাকে।’ 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আর যদি বিকল্প স্থান না থাকে তবে স্কুল-কলেজ ছুটির দিনে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। শিক্ষা কার্যক্রম যেন কোনোভাবে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করে করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের মাঠ নষ্ট হবে না ক্ষতিগ্রস্ত হবে না এই নিশ্চয়তা বিধান করেই যেন তা করা হয়। গতকাল আর আজকে কোথাও পাবলিকলি কথা বলার সুযোগ হয়নি। আজকে আমি এই সুযোগটি গ্রহণ করলাম। আশা করি, আপনারা ক্ষমা করবেন। ’