করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে

0
19
করোনাকালীন সময়ে
করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। মহামারি করোনাভাইরাসের শুরু থেকেই চীন আমাদের অনেক সহযোগিতা করে আসছে। করোনাকালীন এই সময়টাতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। করোনা মোকাবিলায় চীন বাংলাদেশকে সহযোগিতা করায় আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সম্প্রতি চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা শিনহুয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, করোনাকালীন প্রথম দিনগুলোতে চীন যখন কঠিন অবস্থায় পড়েছিল, তখন চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। পরে বাংলাদেশ যখন সমস্যায় পড়ে, তখন চীন সরকার, এমনকি (চীনের) বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও অনেক সহযোগিতা করেছে। তার কথায়, আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, চীনের মতো ভালো বন্ধু পেয়েছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, করোনাভাইরাসের উৎস অনুসন্ধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না হয়ে বস্তুনিষ্ঠ হওয়া উচিত। 

তিনি বলেন, কোভিড-১৯’র উৎস ও কারণগুলো খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে আমি মনে করি, এটি বিজ্ঞানীদের ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তদন্ত হলে তা বিপর্যয় ডেকে আনে। 

এসময় করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে সমানভাবে টিকা বিতরণের গুরুত্বও উল্লেখ করেন এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, এটি খুবই দুঃখজনক যে, অনেক ধনী দেশ প্রচুর টিকা মজুত করেছে এবং তারা সেগুলো তুলনামূলক দরিদ্র দেশগুলোর সঙ্গে ভাগাভাগি করছে না।