ই-অরেঞ্জ গ্রাহকরা দ্রুত পণ্য ডেলিভারি চায়

0
35
ই-অরেঞ্জ গ্রাহকরা দ্রুত পণ্য ডেলিভারি চায়
ই-অরেঞ্জ গ্রাহকরা দ্রুত পণ্য ডেলিভারি চায়

অর্ডার নিয়ে পণ্য না দেওয়ার টালবাহানার মধ্যেই মালিকানা পরিবর্তন করেছে ই-কমার্স প্লাটফর্ম  ই-অরেঞ্জ। নতুন মালিকও লাপাত্তা। ই-অরেঞ্জের গুলশান কার্যালয়ের সব কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। গ্রাহকরা পণ্য দ্রুত ডেলিভারি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া মাশরাফি বিন মুর্তজা প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ছিলেন বলে তাকে বিষয়টি দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন গ্রাহকরা। 

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ই-অরেঞ্জ গ্রাহকদের আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি ও অনুরোধ জানানো হয়। এ সময় তাদের ‘তোমার টাকা আমার টাকা, দিতে হবে দিতে হবে’; ‘ই-অরেঞ্জ মালিকের বিদেশ যাওয়া, বন্ধ কর বন্ধ কর’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

মানববন্ধন থেকে গ্রাহকরা বলেন, ই-অরেঞ্জ শেষ কয়েকবার আমাদের বাইক ডেলিভারির সময় দিয়েও দেয়নি। বর্তমানে তাদের অফিস বন্ধ, কাস্টমার কেয়ার বন্ধ। তাদের সিইও বলছে, আমি কোম্পানি বিক্রি করে দিয়েছি। সে আমাদের সামনে আসছে না। সে কি দেশে আছে নাকি নাই, তাও জানা নেই। গত ১৭ তারিখ থেকে তাদের ডেলিভারি করার কথা ছিল। কিন্তু ওইদিন বেলা ১১টায় জানায়, তারা সাধারণ ডেলিভারি ১৯ তারিখ থেকে করবে আর বাইক ডেলিভারির জন্য আরও ৪৫ দিন সময় নেবে। যেখানে তাদের ৪৫ দিনের মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার কথা, সেখানে ইতোমধ্যে চার মাস হয়ে গেছে। সেখানে তারা আরও সময় চাচ্ছে। কারণ হিসেবে দেখাচ্ছে, তারা নাকি ভ্যান্ডর পাচ্ছে না।

তারা আরও বলেন, মাশরাফি ভাই যেদিন থেকে এ প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এসেছেন, তখন থেকে প্রতিষ্ঠানটির অর্ডার ১০ গুণ বেড়ে গেছে। এখন তিনি (মাশরাফি) বলছেন, তার সঙ্গে চুক্তি জুলাই মাসে শেষ হয়েছে। আপনারা লক্ষ্য করলে দেখবেন, উনি চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর মে মাসে থেকে এখন পর্যন্ত বাইকগুলোর ডেলিভারি হয়নি। তাহলে ওই দায়টুকু তো তার।

গ্রাহকরা দাবি জানিয়ে বলেন, আমরা ঊর্ধ্বতন মহলের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না। আমরা চাই মাশরাফি ভাইয়ের সহায়তায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তা আমাদের ডেলিভারিগুলো দ্রুত দেওয়া হোক।

মানববন্ধন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।