
মমতাজ হারবাল প্রোডাক্টস এর সার্বিক সহযোগিতায় এনটিভি আয়োজিত ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা ‘আলো ছড়াবে উপস্থাপনায়’। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হওয়া উপস্থাপনা বিষয়ক টিভি রিয়েলিটি শোতে রানার্সআপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মামুনুর রশিদ।
গত শুক্রবার (৫ এপ্রিল) রাত ৯ টায় জমকালো গ্র্যান্ড ফাইনাল রাউন্ড এনটিভির তেজগাঁও স্টুডিওতে সম্প্রচারিত হয়।
সেখানেই সেরা ৬ ফাইনালিস্ট প্রতিযোগীর মধ্য থেকে ১ম রানার্সআপ হিসেবে নগদ ৭৫ হাজার টাকা জিতে নেন ঢাবির এই শিক্ষার্থী। এছাড়াও, এই ঈদে এনটিভির ঈদ অনুষ্ঠানে এবং নিয়মিত অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত উপস্থাপক খোঁজার এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জয়া সাহা। যৌথভাবে রানার্সআপ হয়েছেন মামুন রশিদ ও অভিজিৎ রায়। আয়োজনে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন রোজা নাবিলা।
বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন এনটিভির পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরউদ্দিন আহমেদ, মার্কেটিং বিভাগের প্রধান অঞ্জন কুমার কুন্ডু, মমতাজ হারবাল প্রোডাক্টসের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আব্দুস সাত্তার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মদদ আলী বিরানী।
সারাদেশ থেকে বাছাই করা ৭৫ জন প্রতিযোগীর মাধ্যমে ১২টি পর্বে সাজানো ব্যতিক্রমী এই ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ১২টি পর্বের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ধারার উপস্থাপনা করতে হয়েছে মূল প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত সবাইকে। সেখান থেকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত হন ছয়জন প্রতিযোগী। এই প্রতিযোগীদের থেকে নির্বাচিত করা হয় সেরাদেরকে।
আয়োজনে প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেরদৌস বাপ্পী ও ফারহানা নিশো। বাপ্পী-নিশো ছাড়াও প্রতি পর্বে অতিথি বিচারকের আসনেও দেখা গেছে বিভিন্ন অঙ্গনের জনপ্রিয় সব ব্যক্তিত্বদের। গ্রান্ড ফিনালে অতিথি বিচারক ছিলেন অপু বিশ্বাস। আগের পর্বগুলোতে ছিলেন কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আবিদা সুলতানা, বর্তমান সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, সাইমন সাদিক ও মামনুন হাসান ইমন, দেশসেরা কোরিওগ্রাফার আজরা মাহমুদ, জনপ্রিয় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব শামীম আশরাফ চৌধুরী, উপস্থাপক অনজাম মাসুদ, টকশো উপস্থাপক শবনম আজিম, সংগীত পরিচালক শওকত আলী ইমন, পরিচালক তানভীর আহমেদ খান, দেবাশীষ বিশ্বাসসহ অনেকে।


