
বলিউডের জনপ্রিয় প্রবীণ অভিনেত্রী তনুজা বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে রবিবার বিকেলে ৮০ বছর বয়সী তনুজাকে আইসিইউ-তে নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছে। চিকিৎসকদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে তাঁকে। এখন তিনি ভাল আছেন বলে আশ্বস্থ করেছেন চিকিৎসক।
তনুজা সমর্থের পিতা পরিচালক কুমারসেন সমর্থ এবং মাতা অভিনেত্রী শোভনা সমর্থ। ১৯৭৩ সালে পরিচালক সমু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তনুজা সমর্থের দুই কন্যা কাজল এবং তানিশা।
‘হামারি বেটি’ ছবির মাধ্যমে ১৯৫০ সালে দিদি নূতনের সঙ্গে অভিনয় জগতে পা রাখেন তিনি। ১৯৬০ সালে ‘ছাবিলি’-তে অভিনয় করেন যেটির পরিচালক ছিলেন তাঁর মা শোভনা। ১৯৬১ সালে ‘হামারি ইয়াদ আয়েগি’ ছবিতে মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করেন।
১৯৬৩ সালে উত্তম কুমারের বিপরীতে ‘দেয়া নেয়া’ ছবিতে অভিনয় করেন। এ ছাড়াও ১৯৬৭ সালে ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’, ১৯৬৯-এ ‘তিন ভুবনেরর পারে’ এবং ‘প্রথম কদম ফুল’, ১৯৭০-এ ‘রাজকুমারী’তে অভিনয় করেন।
তিনি ‘বাহারে ফির ভি আয়েঙ্গি’, ‘জুয়েল থিফ’, ‘হাতি মেরে সাথি’, ‘মেরে জীবন সাথী’র মতো ছবিতেও অভিনয় করেছেন।
১৯৬৭ সালে ছবি ‘জুয়েল থিফ’-এর জন্য শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেত্রী হিসাবে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন। ১৯৬৯ সালে ‘প্যায়সা ইয়া পেয়ার’ ছবির জন্য ফিল্মফেয়ার পান।


