তরুণীর ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে তৌসিফের বিরুদ্ধে জিডি

বিজ্ঞাপন

ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে জিডি করেছেন সামছুন্নাহার কনা নামে এক তরুণী।

মডেল বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে তৌসিফ ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে থানায় অভিযোগ করেন সেই তরুণী। শনিবার নগরীর হাতিরঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন কনা।

জিডি সূত্রে জানা যায়, ১৮ মাস আগে তৌসিফ মাহবুবের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় কনার। ছয় মাস আগে তৌসিফ ০১৬**৯৭৮৯০৯ নাম্বারে ২০ হাজার টাকা নেন তরুণীর কাছ থেকে। এরপর তৌসিফ তৃতীয় পক্ষ শাহরিয়া হোসেনের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক, সাহাপুর শাখা, চাটখিল, নোয়াখালী অ্যাকাউন্ট নং ৩৪১০০৪৪১ হিসাবের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে আরও ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা নেন। টাকা নেওয়ার পর তৌসিফ তরুণীর সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ করেননি। তার ব্যবহৃত সবগুলো ফোন নাম্বার বন্ধ করে দেন।

বিজ্ঞাপন

সামছুন্নাহার কনা বলেন, আমাকে মডেল বানানোর কথা বলে তৌসিফ বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন। তৌসিফ যে টাকা নিয়েছেন, আমার কাছে কল রেকর্ডসহ সব ধরনের তথ্যপ্রমাণ আছে। আমি তৌসিফের মেইন ফেসবুক আইডিতে নক করে তার ফোন নম্বর পাই। মিডিয়াতে কাজ করার স্বপ্ন নিয়ে কিশোরগঞ্জের জমি বিক্রি করে টাকা এনেছিলাম। আমি মডেলিংও করেছি, এটা আমার স্বামীও জানতেন। তৌসিফকে আমি পছন্দও করতাম। তার মাধ্যমে মিডিয়াতে কাজের সুযোগ হবে ভেবেছিলাম।

এদিকে তৌসিফ মাহবুবও রবিবার রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। জিডিতে তৌসিফ উল্লেখ করেন, ‘সামছুন্নাহার কনা (৩৬) নামের গৃহিণী যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মানসম্মান ক্ষুণ্ণ করা, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে ঐ জিডি করা হয়েছে।’

তৌসিফ মাহবুব বলেন, ‘আমার ফেসবুক আইডি ভেরিফায়েড। কেউ যদি ভুল জায়গায় গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়, সেটা কী আমার দায়? কিন্তু আমি যে মানসিক ও সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছি, এই মিথ্যা অভিযোগের দায় কে নেবে?’

তৌসিফের সাধারণ ডায়েরির তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান খান বলেন, ভোরে এই জিডি করা হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনো তেমন কোনো কিছু জানা যায়নি।

Advertisement