
সৌদি আরব তার নিজস্ব নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দেবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের নবম অধিবেশনের তৃতীয় বর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। খবর আরব নিউজের।
এ সময় মোহাম্মদ বিন সালমান বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক হামলা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার অখণ্ডতার প্রমাণ।
তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা রক্ষায় বিন্দুমাত্র আপস না করেই আমরা উত্তেজনা প্রশমন এবং কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টায় সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করছি। নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে কোনো হুমকি বা হামলা হলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে আমরা দ্বিধা করব না।’
সৌদি যুবরাজ বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা, কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে উপসাগরীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে সৌদি আরব।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যকার ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র বিষয়টি তুলে ধরে যুবরাজ সালমান বলেন, চুক্তিটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে দেশগুলোর যৌথ প্রচেষ্টার প্রতিফলন।
সামরিকভাবে প্রস্তুতি নিলেও সৌদি আরব উত্তেজনা প্রশমনে সব ধরনের চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সালমান বলেন, “উত্তেজনা প্রশমন এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে সমর্থন দিতে সৌদি আরব সব ধরনের চেষ্টা করছে। তবে এক্ষেত্রে নিজেদের নিরাপত্তাকে একটুও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।”
এসবের সঙ্গে লোহিত সাগরে জাহাজে হুথিদের হামলা ও এগুলো প্রতিরোধে বহুজাতিক প্রতিরক্ষা মেরিটাইম জোটের কথাও বলেন প্রিন্স সালমান। তিনি বলেন, লোহিত সাগর ও বাব এল মান্দেবকে কোনোভাবেই রাজনীতির উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
এদিকে এক মাসের বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথিদের লড়াই চলছে। এরমধ্যে হুথিরা সৌদির বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে। অপরদিকে সৌদির বিমানবাহিনী শত শত বিমান হামলা চালিয়েছে।


